বন্ধুরা বলে-
ধৈর্য্য ধর, তুই চাইলেই সব হবে;
ইচ্ছেই হলো মানুষের ভাগ্য খাতা।
আর আমি দেখি-
ধৈর্য্য সিজদায় নত হয়ে থাকে;
নতুন কিছু জানতে পড়ি, মনের টানে লিখি...
বন্ধুরা বলে-
ধৈর্য্য ধর, তুই চাইলেই সব হবে;
ইচ্ছেই হলো মানুষের ভাগ্য খাতা।
আর আমি দেখি-
ধৈর্য্য সিজদায় নত হয়ে থাকে;
চোখের ধুলো মুছতে মুছতে;
জানালার গ্রীলে হাত রেখে বাইরে তাকাই-
দেখি এই রাত জোসনার শাড়ি খুলে;
বেপর্দা বসে আছে।
আমি দেখেছি তাকে শীতের কোন এক সকালে,
দেখেছি তাকে ফুলের সুভাশ মাখা কোন এক বিকেলে।
বসন্তের কুকিল ডাকা সেই রোদ্রদীপ্ত দুপুরে,

ঘটনা অনেক আগের, তখন আমার শৈশবকাল, বৈশাখের পাকা ধান কাটা হয়ে গেলে খোলা মাঠে ঘুড়ি উড়াতাম। গোপালপুর হাঁট থেকে দাদাকে দিয়ে লাল, নীল কাগজ আনিয়ে, বল্লা গোটার আঠা দিয়ে একটা ঘুড়ি বানিয়েছিলাম। তখন সাধারণত গরমের ছুটিতে স্কুল বন্ধ থাকতো, পড়াশোনার চাপও থাকতোনা তাই কাজ বলতে ছিল ঘুড়ি উড়ানো। সারাদিন উদাম গায়ে দৌড়ে দৌড়ে ঘুড়ি উড়াতাম, বিকেলে ঘুড়ির নাটাই গাছের সাথে বেঁধে সবাই মিলে ফুটবল খেলতাম, কোনদিন আবার বৃষি্ট হলে ঘুড়ি উড়ানো হতোনা তবে ফুটবল খেলা হতো ঠিকই আর দিন শেষে দিঘীতে গোসল করে বাড়ি ফিরতাম।
বন্ধুরা বলে- ধৈর্য্য ধর, তুই চাইলেই সব হবে; ইচ্ছেই হলো মানুষের ভাগ্য খাতা। আর আমি দেখি- ধৈর্য্য সিজদায় নত হয়ে থাকে;